এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের চাকরি সরকারিকরন হচ্ছে, MPO Teacher news

You are currently viewing এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের চাকরি সরকারিকরন হচ্ছে, MPO Teacher news
এমপিওভুক্ত

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের চাকরি সরকারিকরন হচ্ছে: শিক্ষকরাই হচ্ছেন আমাদের পরম শ্রদ্ধেয়েরপাত্র ।তাদের অক্লান্ত পরিশ্রম এর ফলস্বরূপ আমাদের সন্তানদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ। আমরা চাই মানুষ গড়ার এই কারিগররা সব সময় সুখী জীবন যাপন করুক।আজ আমি শেয়ার করলাম এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের চাকরি জাতীয়করণ নিয়ে

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের চাকরি জাতীয়করণ এর দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ শিক্ষক কর্মচারী ফোরাম।(বাবেশিকফো)।

  • একই সঙ্গে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ম্যানেজিং কমিটি বা গর্ভনিং বডির হস্তক্ষেপ থেকে মুক্তি লাভের দাবি জানিয়েছে সাংগঠনিক নেতারা। রোববার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাংগঠনিক পক্ষ থেকে আয়োজিত এক গোলটেবিল আলোচনায় এসব দাবি জানানো হয়।
  • সংগঠনের সভাপতি অধ্যক্ষ মোঃ মাইন উদ্দিন বলেন স্বাধীনতার ৫০ বছর পেরিয়ে গেলেও বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীরা পূর্নাঙ্গ সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত।পাঠ্যক্রম আইন এবং একই মন্ত্রনালয়ের অধীনে শিক্ষা ব্যবস্থা পরিচালিত হলেও সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারীদের মধ্যে সুযোগ সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে বিরাট পার্থক্য আছে।
  • শিক্ষকরা বাড়ি ভাড়া উৎসব ভাতা , চিকিৎসা ভাতা ও পদোন্নতি না থাকা , সন্তানের শিক্ষা ভাতা ,হাউজলোন ও বদলি ও চাকরি শেষে পেনশন এর সুবিধা নিয়ে বৈষম্যের শিকার।

আরোও পড়ুন: এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বেতন কত?

বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারী সম্পর্কে বলতে গিয়ে তিনি আরো বলেন, অবসর ও কল্যাণ ট্রাস্টের শিক্ষক কর্মচারীদের কাছ থেকে প্রতিমাসে বেতন এর ১০% কেটে রাখলেও বৃদ্ধ বয়সে যথাসময়ে এটা পাওয়ার নিশ্চয়তা নেই। আবার দেখা যায় কোথাও কোথায় অনেক অবসর প্রাপ্ত শিক্ষক কর্মচারী টাকার অভাবে বিনা চিকিৎসায় মারা যান । এছাড়াও অধিকাংশ শিক্ষক নিজ জেলার বাইরেও চাকরি করেন। তাদের জন্য বদলির ব্যবস্থা চালু ই দরকার।

  • আমাদের বাংলাদেশে অধ্যক্ষ থেকে কর্মচারীবৃন্দ পর্যন্ত মাত্র ১ হাজার টাকা বাড়ি ভাড়া ও পাঁচশত টাকা চিকিৎসা ভাতা এবং ২৫ শতাংশ উৎসব ভাতা পান ।
  • শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করন সম্পর্কে তিনি আরো বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এ ম্যানেজিং কমিটি বা গর্ভনিং বডির অনৈতিক হস্তক্ষেপ বন্ধের দাবি জানিয়ে, তিনি বলেন এন্ট্রি লেভেলের শিক্ষক নিয়োগ এনটিআরসিএ সুপারিশ করলেও নিয়োগ নিয়ে উৎকোচ গ্রহনের অভিযোগ রয়েছে যা। এমতাবস্থায় এমপিও ভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করন করা জরুরি।

এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ :

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের প্রফেসর ড.একে শেওনেয়াজ বলেছেন আগে ও আমরা দেখেছি শিক্ষকরা দিনের পর দিন এই দাবিতে আন্দোলন করেছেন । কিন্তু কোথাও কোন লাভ হয়নি। এটাই দুঃখজনক । শিক্ষকদের সাড়ে বারো হাজার করে বেতন দেয়া হয় আর বাড়ি ভাড়া এক হাজার টাকা এগুলো দিয়ে তাদের কিভাবে চলবে ।এই সমস্যা নিরসনের দ্রুত পদক্ষেপ নেয়া দরকার।

বৈঠকে আরো উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক প্রফেসর হোসেন আরা , শিক্ষাবীদ ,গবেষক অধ্যক্ষ মশিউর রহমান মৃধা সহ আরো শিক্ষক নেতারা।

  • আরেকটি বিষয় হল যে,গত আশির দশকের প্রথমার্ধে থেকেই বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারীসহ জনমনে একটি কথা ব্যাপকভাবে আলোচিত হতে থাকে সরকার সাহসাই দেশের প্রতিটি উপজেলায় একটি করে কলেজ ও মাধ্যমিক স্কুল জাতীয়করণ করবে।
  • আসলে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জাতীয়করণ এর দাবিটা খুবই পুরানো তবে আশি ও নব্বইয়ের দশকের আন্দোলন এর সময় জাতীয়করণ এর চেয়েও শিক্ষকদের স্কেল অনুযায়ী শতভাগ বেতন প্রদান ও অন্যান্য আর্থিক সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর বিষয়টি বেশী গুরুত্ব ছিল।।

পরিশেষে একথাই বলতে চাই বেতন ভাতা বৃদ্ধি সহ এমপিও ভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ আসলেই প্রয়োজন বর্তমান এর দ্রব্যমূলে্র উর্ধগতি এর কারনে শিক্ষক কর্মচারী এবং সাধারণ জনগণ সহ সবাই হিমশিম খাচ্ছেন তাই আমাদের আশা আমাদের শিক্ষকরা যেন এরকম হিমশিম জীবনপ্রনালী থেকে যেন মুক্তি পান ।এই পোস্ট টিতে কোন ভূল থাকলে দয়া করে কমেন্ট করবেন ।

এমপিও নীতিমালা ২০২২: এমপিওভুক্ত শিক্ষা ব্যবস্থার পরিবর্তন ও নতুন পরিপত্র জারি।

Leave a Reply