You are currently viewing পাসপোর্ট সংশোধন করার নিয়ম | Passport Correction BD

পাসপোর্ট সংশোধন করার নিয়ম | Passport Correction BD

পাসপোর্ট সংশোধন করার নিয়ম আমরা সবারই জানার প্রয়োজন, কারণ কোন সময় আমাদের অজান্তেই পাসপোর্ট এর মধ্যে কোনো ভুল হয়ে যাবে তখন আমাদের Passport Correction করার প্রয়োজন পড়বে।

আমাদের অজান্তেই অনেক সময় অনেক ভুল হয়ে থাকে! আমাদের পাসপোর্ট এর মধ্যে ভুল সহজে কিভাবে সংশোধনের করবো। আমাদের পাসপোর্ট হয়ে যাওয়ার পর অনেক সময় পাসপোর্টে ভুল থাকতে পারে। অনেকে সময় হয়তো সঠিকভাবে সব তথ্য না দেয়ার কারণেও ভুল হতে পারে। পাসপোর্টে যেভাবেই ভুল হোক না কেন তা সংশোধনও করা অবশ্যই সম্ভব। আমাদের মধ্যে অনেকেই হয়তো মনে করতে পারে Passport সংশোধনে অনেক ঝামেলা রয়েছে, এ কারণে আমাদের অনেকেই পাসপোর্টের ভুল সংশোধনও করতে চান না। আসলে এমন কোন জামেলা না বরং আপনি খুব সহজেই এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারবেন। তাহলে জেনে নিন পাসপোর্টে ভুল সংশোধন করার নিয়ম বিস্তারিত ভাবে।

পাসপোর্ট চেক করার নিয়ম দেখুন এখানে

পাসপোর্ট সংশোধন করার নিয়ম

বাংলাদেশে MRP পাসপোর্ট হক অথবা E- Passport হক যে কোন কোনো ধরনের পাসপোর্টের তথ্য সংশোধন বা পরিবর্তন করতে চাইলে পাসপোর্টটি রি-ইস্যুর জন্য আপনাকে সর্বপ্রথম আবেদন করতে হবে।

পাসপোর্টের কি কি সংশোধন করতে পারবেন?

জন্ম তারিখ, বাবা মায়ের নাম, পেশা, পাসপোর্টের মধ্যে আপনার ঠিকানায় কোনো ভুল থাকলে সংশোধন করতে পারবেন।

ই-পাসপোর্ট করতে কত টাকা লাগে ২০২২ এ বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন পাসপোর্ট খরচ কত

পাসপোর্টে জন্ম তারিখ সংশোধন করতে কি কি লাগবে?

জন্ম তারিখ সংশোধন করার জন্য ভোটার আইডি কার্ড, এস এসসি পরীক্ষার সার্টিফিকেট, অথবা জি এ সি এর সার্টিফিকেট, ভোটার আইডি কার্ড এর সাথে জন্ম নিবন্ধন এর অনলাইনে থাকলে অনলাইন কপি, বিবাহিত হলে নিকাহনামা এ গুলো প্রয়োজন হবে পাসপোর্টের জন্ম তারিখ সংশোধন এর জন্য। আর জন্ম তারিখ সর্বোচ্চ পাঁচ বছর পর্যন্ত হল সংশোধন করতে পারবেন।

পাসপোর্টে বাবা মায়ের নাম সংশোধন করতে কি কি লাগবে?

পাসপোর্টে বাবা মায়ের নাম সংশোধন করার জন্য, আপনার ভোটার আইডি কার্ড, এইচএসসি অথবা এস এসসি সার্টিফিকেট, বাবা মায়ের ভোটার আইডি কার্ডের কপি।

পাসপোর্টে পেশা পরিবর্তন করতে কি লাগবে?

পাসপোর্টের মধ্যে কেউ যদি পেশা পরিবর্তন করতে চান, আপনার কর্মক্ষেত্রের প্রত্যয়নপত্র দিতে হবে। আর এর সাথে আপনাকে জমা দিতে হবে প্রাতিষ্ঠানিক পরিচয়পত্রের ফটোকপি।

পাসপোর্টে স্থায়ী ঠিকানা পরিবর্তন করতে কি লাগবে?

কারো যদি স্থায়ী ঠিকানা পরিবর্তন করতে চান, এক্ষেত্রে আপনার আবার নতুন করে পুলিশ প্রতিবেদন লাগবে। তবে বর্তমান ঠিকানা পরিবর্তন করার জন্য বা সংশোধনের ক্ষেত্রে এ ধরনের কোনো নিয়ম নেই।

বৈবাহিক অবস্থা পরিবর্তন করতে কি লাগবে?

আপনার যদি বৈবাহিক অবস্থা পরিবর্তন করতে চান তাহলে পাসপোর্টের আবেদনপত্রের সঙ্গে নিকাহনামা দিতে হবে।

কিভাবে পাসপোর্ট সংশোধনের জন্য আবেদন করবেন?

সর্বপ্রথম আপনার মোবাইলের ব্রাউজার ওপেন করে সার্চ করবেন পাসপোর্ট সংশোধন ফরম বা পাসপোর্ট সংশোধন সংক্রান্ত সর্বশেষ প্রজ্ঞা এটি লেখে সার্চ করার প্রথমে যে ওয়েবসাইট আসবে এই ওয়েবসাইটে ডুকে আপনি পাসপোর্ট সংশোধন ফরম ডাউনলোড করে নিবেন।

পাসপোর্ট সংশোধন ফরম

পাসপোর্ট সংশোধন

এই ফরমটি ডাউনলোড করে সবকিছু সঠিকভাবে পূরণ করে নিবেন।

পাসপোর্ট সংশোধন

পাসপোর্ট সংশোধনের আবেদন ফরমের এই বক্সের মধ্যে আপনি যে ব্ল্যাংকে ফি জমা দিবেন সেই ব্যাংক থেকে একটি চালান বা রিসিট নিয়ে আসবেন এবং এখানে ফি তথ্য বসিয়ে নিবেন।

তারপর আপনি এই আবেদন ফরম এবং অন্যান্য সব ডকুমেন্ট একসাথে নিয়ে আপনার পাসপোর্ট অফিসে জমা দিয়ে দিবেন ২১ দিনের মধ্যে আপনার পাসপোর্ট আবেদন ফরমে দেওয়া নাম্বারে মেসেজ আসলে আপনি পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করতে পারবেন।

ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে বিস্তারিত পড়ুন

পাসপোর্ট সংশোধন ফরম ডাউনলোড করুন

পাসপোর্ট সংশোধন ফরম ডাউনলোড করুন

পাসপোর্ট সংশোধন করার ফি কত?

আবেদন ফরম জমা দেওয়ার সময় এক কপি রি-ইস্যু ফরম এবং এক কপি সত্যায়িত নতুন আবেদনপত্র, আপনার পাসপোর্টের তথ্য সংশোধন করার জন্য সাথে জমা দিতে হবে। পাসপোর্ট সংশোধনের ফিস আবেদনপত্র জমা দেওয়ার পর আর্জেন্ট বা ৭ দিনের মধ্যে Passport পেতে চাইলে ৬ হাজার ৯শ টাকা ফিস জমা দিতে হবে। আর ২১ দিনের মধ্যে সাধারণ সময় অনুযায়ী পাসপোর্ট পেতে চাইলে ফি দিতে হবে ৩ হাজার ৪শ ৫০ টাকা।

পাসপোর্ট সংশোধনের ফি কোথায় জমা দিবেন সরকারি ব্যাংক গুলোতে জমা দিতে পারবেন, তবে বিশেষ করে, সোনালীর ব্যাংকের পাশাপাশি ওয়ান ব্যাংক, ট্রাস্ট ব্যাংক, ব্যাংক এশিয়া, প্রিমিয়ার ব্যাংক এই ব্যাংক গুলোতে পাসপোর্ট সংশোধনের জন্য ফি জমা নিয়ে থাকে পাসপোর্টর ফি জমা দেওয়ার পর আপনাকে একটি রিসিট দিবে এই রিসিটের প্রয়োজন হবে পরবর্তীতে।

আশা করি আমাদের পোস্টটি আপনাদের হেল্পফুল হলে শেয়ার করবেন এবং কোন কিছু জানার হলে কমেন্ট করবেন আমরা আপনাদের হেল্প করার চেষ্টা করব।

ভোটার আইডি কার্ড চেক করার নিয়ম বিস্তারিত পড়ুন

This Post Has 6 Comments

  1. shafiuzzaman Chowdhury

    ভাই আমার ছেলের এনআইডি এবং এমআরপি এর বয়সের ফারাক চার বছর। এখন ওর ই-পাসপোর্ট হচ্ছে না। কি করা যায়।

    1. scholarsme

      ভোটার আইডি কার্ডের জন্ম তারিখ ঠিক করতে হবে নতুবা হবে না, ভোটার আইডি কার্ড সংশোধনের জন্য অনলাইনে আবেদন করে নেন।

  2. sujan chowdhury

    amar ekta e-passport ache oitate songsodhon korte chai NID diye

    1. scholarsme

      উপরের দেওয়া ধাপগুলো অনুসরণ করে ইপাসপোর্ট ও সংশোধনের জন্য অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।

  3. জাহিদুল ইসলাম

    ভাই অামার দাদার জন্ম সাল ১৯৪৬ সাল, কিন্তু ২০১২ সালে বড় হজ্জ করার জন্য দালাল দাদার জন্ম সাল পরিবর্তন করে ১৯৫২ সাল দেয় এবং হজ্জে পাঠায়,,কিন্তু এখন ২০২২ সালে ওমরাহ হজ্জে যাওয়ার জন্য
    পাসপোর্ট করতে গেলে বিপদে পরছি,,,তারা বলছে পাচ বছরের বেশি কম বেশি করা যায় না,,,এখন কি করনীয় প্লিজ বলেন

    1. scholarsme

      ভাই আপনি চাইলে একটি পদ্ধতি অবলম্বন করতে পারেন,পাসপোর্ট মেয়াদ চলে গেলে আপনি আপনার দাদার ভোটার আইডি কার্ড এবং জন্ম নিবন্ধন দিয়ে নতুন ই-পাসপোর্ট করার জন্য আবেদন করেন, তবে পুরাতন পাসপোর্টের কথা অনলাইন আবেদন করার সময় উল্লেখ করবেন না। দেখেন আশা করি হয়ে যাবে।

Leave a Reply