তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণীর চাকরিজীবীদের বেতন সর্বনিম্ন ২৫ হাজার

You are currently viewing তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণীর চাকরিজীবীদের বেতন সর্বনিম্ন ২৫ হাজার
তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণীর চাকরিজীবীদের বেতন সর্বনিম্ন ২৫ হাজার

তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণীর চাকরিজীবীদের বেতন সর্বনিম্ন ২৫ হাজার: শ্রদ্ধেয় তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণীর চাকরিজীবীরা এটা সকলের জন্য একটা সুখবর নিশ্চয় আপনারা সবাই খুশি হবেন যে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণীর চাকরিজীবীদের বেতন সর্বনিম্ন ২৫ হাজার ।আজ আমার পোস্ট টিতে এই বিষয় শেয়ার করলাম।

সরকারি-কর্মচারীদের বেতন সর্বনিম্ন ২৫ হাজার টাকা ও নবম জাতীয় পে- কমিশন গঠন সহ সাত দফা দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি দাবি বাস্তবায়ন ঐক্য ফোরাম ।

তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণীর চাকরিজীবীদের বেতন সর্বনিম্ন ২৫ হাজার

  • জাতীয় প্রেস ক্লাবের মাওলানা মোহাম্মদ আকরাম খাঁ হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এসব দাবি জানান ফোরামের আহ্বায়ক মোহাম্মদ হেদায়েত হোসেন।
  • সংগঠনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে নবম পে -স্কেল ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত অন্তবর্তীকালীন সময়ের জন্য ১১-২০ তম গ্ৰেডভূক্ত কর্মচারীদের ৫০ শতাংশ মহার্ঘ ভাতা ও শতভাগ পেনশন দিতে হবে।একই সাথে সেচ্ছায় অবসরের চাকরির বয়সসীমা ২০ নির্ধারন এবং আনুতোষিক প্রতি ১ টাকায় তিনশ’ টাকা ও পে কমিশন এ কর্মচারীদের প্রতিনিধি রাখতে হবে।
  • লিখিত বক্তব্য হেদায়েত বলেন, সিনিয়র সচিব থেকে শুরু করে ২০ তম গ্ৰেডের সবাই সরকারি কর্মচারী। স্বাধীনতার পর ১৯৭৩ সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের বৈষম্য নিরসনে র দিকটা বিবেচনায় নিয়ে শত শত স্কেলকে বিলুপ্ত করে ১০ টি গ্ৰেডের একটি সুষম বেতন কাঠামো উপহার দেন।১৯৭৫ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু কে সপরিবারে হত্যার পর স্বৈরাচারী সরকার ১৯৭৭ সালে বেতন স্কেল ১০ টি গ্ৰেডের পরিবর্তে ২০ টি গ্ৰেডে বেতন স্কেল বাস্তবয়ন করে যার ফলে বেতন বৈষম্যের সৃষ্টি হয়।

কর্মচারীদের দাবিসমূহ:

  • জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক প্রদত্ত ১৯৭৩ সালের জাতীয় বেতন স্কেলের অনুরূপ ১০ ধাপ বিশিষ্ট বেতন স্কেল নির্ধারণ পূর্বক ছয় সদস্য বিশিষ্ট পরিবারের ব্যায় বিবেচনায় সর্বনিম্ন ২৫ হাজার করতে হবে এবং এ উপলক্ষে জাতীয় নবম পে কমিশন গঠন করতে হবে। নবম পে -স্কেল ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত এই অন্তবর্তকালীন সময়ের জন্য ১১-২০ গ্ৰেডের কর্মচারীদের জন্য ৫০ শতাংশ মহার্ঘ ভাতা প্রদান করতে হবে। শতভাগ পেনশন প্রদান এবং সেচ্ছায় অবসরে চাকরির বয়সসীমা ২০ বছর নির্ধারন ও আনুতোষিক প্রতি ১ টাকায় তিনশ’ টাকা এবং পে কমিশনে কর্মচারীর প্রতিনিধি রাখতে হবে।
  • সচিবালয়ের ন্যায় এবং সচিবালয়ের বাইরে সকল দপ্তর ও অধিদপ্তরের কর্মচারীদের পদবী ও গ্ৰেড পরিবর্তন সহ প্রজতন্ত্রের‌ কর্মচারীদের জন্য এক ও অভিন্ন নিয়োগ বিধি প্রনয়ন এবং প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের কে প্রথম শ্রেনী এবং সহকারী শিক্ষকদের কে দ্বিতীয় শ্রেনীর কর্মকর্তার পদমর্যাদা ও শতভাগ বিভাগীয় পদমর্যাদায় পদোন্নতি করতে হবে।
  • ব্লক পদ প্রথা প্রত্যাহার এবং পদোন্নতি যুক্ত পদ শুন্য না থাকলেও নির্ধারিত সময়ের পর উচ্চতর পদের বেতন স্কেল প্রদান , আউটসোর্সিং নিয়োগ প্রথা বিলুপ্ত করতে হবে।
  • ১১-২০ গ্ৰেডভুক্ত কর্মচারীদের জন্য বার্ষিক বেতন বৃদ্ধির হার ৫% এর পরিবর্তে ২০% এ উন্নীত করতে হবে।টাইম স্কেল সিলেকশন গ্ৰেড , টেকনিক্যাল কর্মচারীদের জন্য দুটি বিশেষ ইনক্রিমেন্ট পূর্ণবহাল। এলাকা ভেদে বাড়ি ভাড়া ও ভাতা , চিকিৎসা ভাতা ৭০% থেকে ১০০% করতে হবে‌।
  • ১১-২০ তম গ্ৰেডের কর্মচারীদের জন্য বিনাসুদে ২৫-৩০ লক্ষ টাকা গৃহরীন সুবিধা ও গ্যাস বিদ্যুৎ বিল পানি বাবতে ৫ হাজার টাকা করতে হবে।
  • উন্নয়ন খাতে থেকে রাজস্ব খাতে স্থানান্তরিত কর্মচারীদের চাকরির শুরু থেকেই গননা এবং ২০% পেনশন কর্তন এগুলো বন্ধ করতে হবে।
  • সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ এবং অবসর এর বয়সীমা ৬২ এবং অধস্তঃন আদালতে কর্মচারীদের বিচার বিভাগীয় কর্মচারী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

সংবাদ সম্মেলনে প্রজাতন্ত্রের ১৪ টি সংগঠন এবং বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী উন্নয়ন পরিষদের নেতৃবৃন্দ সহ বিপুল সংখ্যক কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন।

 সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষকদের বেতন ভাতা ও অন্যান্য সুযোগ সুবিধা

Leave a Reply