আমেরিকায় স্কলারশিপ পাওয়ার উপায় | USA Scholarship For Bangladeshi Students

You are currently viewing আমেরিকায় স্কলারশিপ পাওয়ার উপায় | USA Scholarship For Bangladeshi Students
USA scholarship

USA Scholarship for bangladeshi students Guide: বাংলাদেশী বেশির ভাগ শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন আমেরিকায় গিয়ে উচ্চশিক্ষা লাভ করা। কারণ সেখানে রয়েছে পৃথিবীখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয় সমুহ।মানসম্মত লেখার-পাড়ার মানের পাশপিাশি সেখানে রয়েছে নানা আনুসাঙ্গিক  সুযোগ সুবিধা। যা একজন শিক্ষার্থীকে সহজেই সে দেশের উচ্চশিক্ষার প্রতি আকৃষ্ট করে।

আমেরিকা স্কলারশিপ নিয়ে বিস্তারিত তথ্য

বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ,শিক্ষাদীক্ষার দিক থেকে বিশ্বের বুকে প্রথম অবস্থানে রয়েছে আমেরিকা। আমেকিার ডিগ্রি পৃথিবীজুরে স্বীকৃত। আমেরিকায় প্রায় পাঁচ হাজার বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে, সেখানে পড়াশোনা করছে প্রায় ছয় থেকে সাত লক্ষ বিদেশি শিক্ষার্থী। পৃথিবীর নানা প্রান্ত থেকে ছুটে  মানুষ সেখানে উচ্চশিক্ষার জন্য। প্রতিনিয়ত সেখানে উদ্ভব ঘটছে নতুন নতুন জ্ঞান –বিজ্ঞানের।

নতুন এই জ্ঞানের ধারায় আপনি নিজেকে সংযুক্ত করে , প্রসারিত করতে পারেন নিজের জ্ঞানের পরিধিকে। দক্ষতা বাড়ার সাথে সাথে প্রসারিত হবে আপনার চাকুরির পরিধি।  উন্নত ধ্যান-ধারনা ও নতুন নতুন উদ্ভাবনী ক্ষমতা সম্পন্ন করে তুলতে পারবেন নিজেকে। নিচে আমেরিকায় উচ্চশিক্ষা সম্পর্কিত যাবতীয় তথ্য তুলে ধরা হলো।

USA scholarship for Bangladeshi Students
USA scholarship

বিভিন্ন একাডেমিক শাখার ছাত্র/ছাত্রীদের বিশেষীকরণ এবং এমনকি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ লাভের সুযোগও প্রদান করা হয়।

প্রায় পাঁচ হাজার  স্বীকৃত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চ শিক্ষা ডিগ্রি প্রদান করে থাকে। পৃথিবীর অন্যান্য দেশের ন্যায়, মার্কিন উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি কেন্দ্রীয়ভাবে পরিচালিত হয় না।

লিবারেল আর্ট প্রতিষ্ঠান:

লিবারেল আর্ট প্রতিষ্ঠানগুলি, উদাহরণস্বরূপ, কলা, মানবিক, ভাষা এবং সামাজিক ও শারীরিক বিজ্ঞান, বিজ্ঞান ইত্যাদি কোর্স অফার করে থাকে।

কমিউনিটি কলেজ হল:

কমিউনিটি কলেজ হল  বিকল্প  স্নাতক ডিগ্রি অর্জনের জন্য যা শিক্ষার্থীকে দ্রুত পেশাগত দক্ষতা অর্জনে সহায়তা করে । এ প্রতিষ্ঠানগুলো সাধারণত দুই বছর মেয়াদী এসোসিয়েট ডিগ্রি প্রদান করে থাকে।

অঙ্গ রাজ্যের কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়:

অঙ্গ রাজ্যের কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে “পাবলিক ইউনিভার্সিটি”বলা হয়, মার্কিন সরকারের অর্থায়নে প্রতিষ্ঠানগুলো পরিচালিত হয়। সেখানে কম খরচে শিক্ষা প্রদান করা হয়। যার জন্য সরকারী তহবিল থেকে সে সব প্রতিষ্ঠিনে ভর্তুকি দিয়ে থাকে । যা অনেক ক্ষেত্রে বাংলাদেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মতই পরিচিালিত।পাবলিক ইউনিভার্সিটিগুলোতে সাধারণত গবেষণার  প্রচুর সুযোগ থাকে এবং এখানে শিক্ষার মানও সবচেয়ে ভালো । সাধারণত প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের তুলনায় বিস্তৃত পরিসরে ছাত্র ভর্তি করে থাকে। তবে এসব বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পাওয়াটা খুবই প্রতিযোগীত মূলক।

USA Scholarship And Degrees

এসোসিয়েট ডিগ্রি : কমপক্ষে ১২ শিক্ষাবর্ষ অধ্যায়নের শিক্ষা সনদ থাকতে হবে । এই কোর্সের মেয়াদ দুই বছর ।

ব্যাচেলর ডিগ্রি:  এই প্রোগরামে ভর্তি হতে হলে আপনাকে HSC অথবা তার সমমানের ডিগ্রি পাশ করতে হবে। ব্যাচেলর বা আন্ডারগ্রেডুয়েট ডিগ্রির মেয়াদ থাকে ৪ বছর ।

রিসার্স বেইজ মাস্টার্স বা সাধারণ মাস্টার্স: আপনাকে যে কোন বিষয়ে অনার্স পাশ হতে হবে । এর মেয়াদ সাধারণত এক থেকে দুই বছর হয়ে থাকে।

আমেরিকায় বা যুক্তরাষ্টে পড়ার ক্ষেত্রে  ইচ্ছেমত বিষয়  নির্বাচন করে আপনি পড়তে পারবেন যদি আপনরি সে বিষয়ে যোগ্যতা থাকে।শতাদিক বিষয় রয়েছে উচ্চশিক্ষার তালিকায় যেমন: বিজ্ঞান,প্রযুক্তি, চিকিৎসা,সাহিত্য, কমার্স,আর্টস,আইন, আর্থনীতি, ব্যবস্বথাপনা ও যোগাযোগ ইত্যাদি । প্রত্যেক বিষয়েই রয়েছে বাস্তবধর্মী ও আধুনিক শিক্ষার সুযোগ।

বিদেশে উচ্চশিক্ষা সম্পর্কিত সকল তথ্য

আমেরিকা স্কলারশিপ এর জন্য যোগ্যতা কি কি প্রয়োজন?

আমেরিকার পড়াশোনার মাধ্যম হচ্ছে ইংরেজি। তাই আমেরিকায় পড়ার আগ্রহ থাকলে অবশ্যই আপনাকে ইংরেজিতে দক্ষ হতে হবে। ইংরেজি ভাষার দক্ষতার প্রমণ সরূপ আপনাকে  TOEFL নূন্যতম ১৮০ থাকতে হবে। আন্ডার গ্রেজুয়েটের জন্য। আর পোস্ট গ্রেজুয়েশনের জন্য নূন্যতম ২২০ থাকতে হবে।(কম্পিউটার বেইজ) শিক্ষা প্রতিষ্টান ভেদে স্কোর এর চাহিদা ভিন্ন হতে পারে। এছাড়া GREনূন্যতম ২৮০ এবং IELTS নূন্যতম . চাওয়া হয়।

আমেরিকান ইউনিভার্সিটি গুলোর টিউশন ফি?

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ভেদে আমেরিকান ইউনিভার্সিটিগুলোত টিউশন ফি ভিন্ন ভিন্ন হয়ে থাকে। সেখানে সর্বনিম্ন বাৎসরিক লক্ষ থেকে শুরু করে ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত রয়েছে। এছাড়া রয়েছে থাকাখাওয়া এবং পড়াশোনার আনুষাঙ্গিক খরচ যা জন্য বছরে প্রায় নয় থেকে দশ লক্ষ টাকা প্রয়োজন।

আমেরিকায় স্টুডেন্টদের পার্ট টাইম জব

কাজ করার সুযোগ আমেরিকান ইউনিভার্সিটির ছাত্র ছাত্রীরা সাপ্তাহে ২০২৫ ঘন্টা কাজ করার সুযোগ পেয়ে থাকে।তবে ছুটির সময় চাইলে ফুল টাইম কাজ করা যাবে।

 আগামীতে আমেরিকার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তি প্রসেসিং,ভিসা প্রসেসিং এবং স্কলারশিপ নিয়ে আলোচনা করব। বিস্তারিত জানতে পেইজে চোখ রাখুন।

উচ্চ শিক্ষা সম্পর্কে কোন কিছু নিয়েন জনার থাকলে নিচে কমেন্ট করতে পারেন।

This Post Has One Comment

  1. zoritoler imol

    I have not checked in here for some time since I thought it was getting boring, but the last several posts are great quality so I guess I will add you back to my everyday bloglist. You deserve it my friend 🙂

Leave a Reply