কি কারণে বয়কট ভারত, বয়কট ইন্ডিয়ান পূন্যের শ্লোগান #BoycottIndianProducts

কি কারণে বয়কট ভারত বা ভয়কট ইন্ডিয়া মুসলিম বিশ্বের সবার মুখে। নবী মহম্মদ ﷺ সম্পর্কে ভারতের কুখ্যাত বিজেপি নেতা নূপুর শর্মা এবং নবীন কুমার জিন্দালের কুরুচিপূর্ণ বিতর্কিত মন্তব্যে মুসলিম  দেশগুলিতে ব্যাপক প্রভাব ফেলেছে। আরব দেশ সহ বাংলাদেশের মুসলমানদের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে। মুসলিম দেশগুলো ভরতের পণ্য   বয়কটের ডাক দেওয়া হয়েছে। চারিদিকে বয়কট ভারত রব উঠেছে। টুইটার,  ইন্সটাগ্রাম ও ফেসবুকে বয়কট ভরত। ভারতীয় পণ্য বয়কট ট্রেন্ড করছে বিশেষ হ্যাশট্যাগ হিসাবে। প্রত্যেক নবী প্রেমিক ভারতীয় পণ্য বয়কট করা হোক লেখছে।।

কুয়েতে বয়কট ভরত।

কুয়েতে বয়কট ভারত চরমে। কুয়েট সরকার সহ তার দেশের জনগন বয়কট ইন্ডিয়া লিখে হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করছে। শুধু তাই নয় কুয়েতে শপিং মল ও  বিভিন্ন সুপারমার্কেট থেকে ভারতীয় পণ্য বের করে হচ্ছে। সহজে চিহ্নিত করার জন্য কেউ কেউ আলাদা করে রাখছেন। এমনকি ডিসপ্লে থেকে সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। আবার কোন কোন মল থেকে  ভারতীয় পণ্যগুলো ঢেকে দেওয়া হচ্ছে।

একটি ভিডিও খুব বেশি। সে ভিডিও দেখা যায়  ভারতীয়নপণ্য বয়কট নামে চা এবং অন্যান্য পণ্য  সরিয়ে নেয়া হচ্ছে। সে ভিডিওতে আরো দেখা যায় অপর একজন ভারতীয় চালের বস্তা এবং মশলা ও মরিচের সারিগুলো চাদর দিয়ে ঢেকে দেয়। কুয়েতেরনসব দিকে ভারতীয় পণ্য বয়কটের ডাক দেওয়া হয়েছে।

নুপুর শর্মান ও নবীন জিন্দালের বহিষ্কার।

ভারতের ক্ষমতসীন দল বিজেপির নেতা নুপুর শর্মা এবং নবীন জিন্দাল ইসলামবিদ্বেষী ও মহানবী মুহাম্মদ (সা.) প্রতি অবমাননাকর মন্তব্য করে। এই হীননও মানবতা বিরুধী বিষয়টি নিয়ে আরব দেশ সহ বাংলাদেশেও তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। নুপুর শর্মান ও নবীন জিন্দালকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। বিজেপির এমন সিদ্ধান্তে মুসলিমরা আরো ক্ষুব্ধ।  তারা দাবি করছেন,  দল থেকে বহিষ্কার করলে হবে না।  তাদেরকে আইনের আওতায় এনে শাস্তির মুখোমুখি করতে হবে।

সৌদি আরবে ভরতীয় পণ্য বয়কট।

রাসুল ﷺ ও  আয়েশা রা. এর ব্যাপরে অবমাননাকর  ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যে সারা আরব বিশ্ব ফেঁপে উঠেছে। তার ভারতের পণ্যা বয়কট করছে। সৌদি আরবও ভারতীয় পণ্য বয়কট করেছে।

আরব আমিরাত ভারতীয় পণ্য বয়কট।

আরব আমিরাতেও ভারতীয় পণ্য বয়কট করা হয়েছে। তারা বিভিন্ন প্লে কার্ডের মাধ্যমে প্রতিবাদ জানিয়েছে।

ভারতের হাইকমিশনারের তলব।

রাসুল সা. ও আয়েশা এর সম্মানহানি করায় আরব দেশগুলো ভারতীয় পণ্য বয়কট করেছে। তার সাথে তারা ভারতের হাইকমিশনারদেরকে তলব করেছে। তারা তাদের কাছে উক্ত ঘটনার কৈফিয়ত চাচ্ছে।

ভারতীয় পণ্য বয়কটের হ্যাশট্যাগ।India Boycott

মুসলিমরা আন্দোলনে ফেপে উঠেছে। সব দিকে আগুনের ঝড়। সোসাল যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন পদ্ধতিতে ভরতের পণ্য বশকট করয় হচ্ছে।  তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করা হচ্ছে। নিচে কয়েকটি হ্যাশট্যাগ উল্লেখ করা হল।
#boycottindia
#boycottindiangoods

বয়কট অর্থ কি? Boycott

বর্তমানে কোন প্রতিবাদের মোক্ষম হাতিয়ার হলো বয়কট।  বয়কট অর্থ হল:

  • বর্জন,
  • পরিহার
  • একঘরে করা
  • সমাজচু্যত করা।

কোন বিশেষ করণে একটি পণ্য, ব্যক্তি, সংস্থা বা দেশ থেকে অহিংস, স্বেচ্ছায় বিরত থাকার একটি কাজ।

বয়কট নাম করণ ও অভিধানে আসা।boycott

বয়কট কিভাবে অভিধানে আসল? বয়কট কিভাবে নামকরণ করা হলো? বয়কট অভিধানে আসার কারণ হলেন  এক ইংরেজ ভদ্রলোক।যার নাম চার্লস কানিংহাম বয়কট। ১৮৩২-১৮৯৭ পর্যন্ত ছিল জীবন কথা। তার খারাপ কাজের  জন্য থাকে একঘরে করছিলেন। ভদ্রলোক বয়কটের এহেন একঘরে করে রাখার ঘটনা ছড়িয়ে পরে। ব্যাপক  প্রচার হতে থাকে।  কালবাকে বয়কট যুক্ত হয় অভিধানে।

ক্রিকেটের হাশিম আলার টুইট ও বয়কট ভারত।

ক্রিকেটার হাশিম আমালাও ভারতকে বয়কট জানিয়েছেন। তিনি এক টুইটে ভারতকে বয়কট করার কথা জানান।

মুঈন আলী ভারত বয়কট জানাননি।

নুপুরে ও নবীন জান্দালের মন্তব্যে জ্বলে উঠে বিশ্ব। প্রত্যেক মুসলিম নিজ নিজ অবস্হান থেকে ইন্ডিয়াকে বয়কট করেছেন।সেই জন্য মঈন আলীও ইংল্যান্ডের হয়ে ভারত সফর এবং  আইপিএল বয়কটের ঘোষণা দিয়েছেন, এরকম খবর বেশ রমরমা হয়ে প্রচার হচ্ছে। আসলে এ খরব রটেছে।

কিন্তু মঈন আলী রকম কিছু বলেন নি।মুঈন আলী টুইটারে ইন্ডিয়া বয়কটের  কোনো বক্তব্য দেননি।

Leave a Reply